রেলের জনবল সংকট নিরসনে কাজ শুরু হয়েছে : রেলমন্ত্রী


প্রকৌশল প্রতিবেদক :
রেলের জনবল সংকট নিরসনে কাজ শুরু হয়েছে : রেলমন্ত্রী

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রেলের জনবল সংকট নিরসনে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেছেন, ‘লোকবল সংকট নিরসনে ইতিমধ্যেই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। খুব শীঘ্রই ১০ থেকে ১২ হাজার লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা আশা করছি আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে রেলের লোকবল ঘাটতির যে অভিযোগ তা দূর করতে পারবো।’

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রেলভবনে বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেশন সমূহে আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা এবং পারস্পরিক শিখন কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রেলপথ মন্ত্রী।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘বিএনপি–জামায়াত সরকারের সময়ে ১০ হাজারের অধিক জনবলকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে বিদায় করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার রেলসেবাকে সেই ভঙ্গ দশা থেকে উদ্ধার করে মূল স্রোতে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে। মাঠ পর্যায়ে রেলের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। দিনরাত অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ফলে রেল সম্পর্কে মানুষের একটি পজেটিভ ধারণা তৈরি হয়েছে।’

রেলের সার্ভিস প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে কিন্তু ট্রেন লাইনের সংখ্যা বাড়ছে না। আমাদের ট্রেন লাইনগুলো বেশির ভাগই এক লাইনে চলাচল করে। ট্রেন লাইনগুলো যতদিন পর্যন্ত এক লাইন থেকে ডাবল লাইন না করা হবে ততদিন ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় এড়ানো যাবে না। আর সিডিউল বিপর্যয় রোধ না করা গেলে জনগণ ভালো সেবা পাবে না।’

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে (পিবিআরএলপি) তহবিল সংকট দেখা দিয়েছে বলে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড (সিআরইসি) গতকাল গণমাধ্যমে একটি প্রেস রিলিজ পাঠিয়েছিল এই বিষয়ে জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে সোর্স থেকে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে এই ধরনের কোন চিঠি পাঠায়নি- আমাকে এমনি জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।’

এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা রেল লিংক প্রকল্প ২০১৮ সালে শুরু হয়। এখানে আমাদের কনসালটেন্ট থাকে আমাদের প্রকল্প পরিচালক কেন তারা এই বিষয়গুলো দেখেন। এখানে প্রত্যেকটি কাজের জন্য আলাদাভাবে ঠিকাদারকে টাকা দেওয়া হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল দিয়েছে। যারা বিল পান নাই পেয়ে যাবেন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রকল্পটি আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলবে। সুতরাং যে কথাগুলো তারা বলছে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেগুলো ঠিক না। আর এই সব পত্র পত্রিকাতেও বলার কিছু নেই।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী সহ ওয়াটারএইড এর কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ) হাসিন জাহান সহ আরও অনেকেই। 

*** ১৫ হাজার জনবল নিয়োগের কথা জানালেন রেলমন্ত্রী