বিজিবিতে ১৫ হাজার জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা


প্রকৌশল নিউজ ডেস্ক :
বিজিবিতে ১৫ হাজার জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা

শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)-কে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিজিবি এখন জলে, স্থলে ও আকাশপথে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামোতে ১৫ হাজার জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) ৯৫তম রিক্রুট নবীনদের শপথ নেওয়া ও কুচকাওয়াজ আনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও টেলিকনফারেন্স (ভিটিসি)-এর মাধ্যমে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে সীমান্তে নতুন নতুন বিওপি, বিএসপি নির্মাণসহ অত্যাধুনিক সার্ভেইলেন্স ইকুইপমেন্ট স্থাপন, এটিভি ও অত্যাধুনিক এপিসি, ভেহিক্যাল স্ক্যানার ও দ্রুতগামী জলযান সংযোজন করা হয়েছে।


সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম দেওয়ার মধ্য দিয়ে নবীন সৈনিককদের শপথ গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

নবীন সৈনিকদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সীমান্তে চোরাচালান রোধে তোমাদের পেশাগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে।


সুশৃঙ্খল ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। তোমাদের সকলের কর্মজীবন সফল হোক সেই কামনা করছি।

তিনি বলেন, সেবা ও কর্তব্যপরায়ণতার মাধ্যমে এই বাহিনীর সদস্যরা জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও একইভাবে জনকল্যাণমূলক কাজে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিজিবির সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা সেবার জন্য ৫টি হাসপাতালকে আরও উন্নত করা হয়েছে। বিজি হাসপাতাল, ঢাকায় একটি অত্যাধুনিক ক্যাথ ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

শৃঙ্খলা সৈনিকের মূল পরিচিতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আদেশ ও কর্তব্য পালনে যে নির্ভীক সেই প্রকৃত সৈনিক। সততা, বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, আনুগত্য, সাহস ও উদ্দীপনা একটি বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি। নবীন সৈনিকদের মধ্যে তারই প্রতিফলন আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত ও মুগ্ধ করেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। এসময় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।