চরিত্রবানরা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি চরিত্রহীনদের হাত চলে যাবে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, চরিত্রবানরা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি চরিত্রহীনদের হাত চলে যাবে।

চরিত্রবানরা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি চরিত্রহীনদের হাত চলে যাবে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, চরিত্রবানরা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি চরিত্রহীনদের হাত চলে যাবে।

শনিবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে তিনি নিজ সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। 

সে সময় তিনি আরও বলেন, মেধাবীদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে। তারা রাজনীতিতে না এলে রাজনীতি মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ মাদক, সাইবার অপরাধ, আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক দিকসহ নানান চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করছে। প্রযুক্তি যেমনি বদলে দিয়েছে তেমনি এর ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। একদিকে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে হবে, অপরদিকে এর নেতিবাচক দিক থেকে তরুণদের সুরক্ষা দিতে হবে।

যারা এখনো তরুণদের পেট্রোল বোমা, আগুন সন্ত্রাস ও উগ্র সাম্প্রদায়িকতার পথে ঠেলে দিচ্ছেন, তাদের এসব নেতিবাচকতা থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রগতির চলমান ধারায় বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদ আলোয় ঝলমল করছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ এ দেশের উন্নয়ন ও ইমেজকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে সে বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতি আজ লোডশেডিংয়ের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে সেবাখাত। প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুযোগ-সুবিধা এখন বিশ্বমানের। এসব বাস্তবতায় শেখ হাসিনা সরকারের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণ-তরুণীদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে এবং ক্যারিয়ার গড়তে প্রতিটি পরিবারের পাশে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের শিক্ষা  ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা ও আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সিআরআই-এর সদস্যরা।