মদ পরিবেশন না করায় ভাঙচুর চালায় পরীমণি

বাংলা সিনেমার গ্লামার গার্ল খ্যাত চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে রাজধানীর হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মদ পরিবেশন না করায় ভাঙচুর চালায় পরীমণি

বাংলা সিনেমার গ্লামার গার্ল খ্যাত চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে রাজধানীর হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়ম অনুযায়ী রাত ১১টায় ক্লাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাত প্রায় ১টার দিকে পরীমণি এক সদস্যের মাধ্যমে ক্লাবের বারে প্রবেশ করে মদ অর্ডার করেন। মদের একটি বোতল তার টেবিলেও দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়েটাররা পরিবেশন করতে রাজি না হওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠে পরীমণি। এক পর্যায়ে ১৫টি গ্লাস, ৯টি স্ট্রে, বেশ কিছু গ্লাস ভাঙচুর করে বের হয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে দুই পুরুষ ও এক মহিলা ছিল।

বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে অল কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি কে এম আলমগীর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ৮ জুন রাতে পরীমণির ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আমরা তাকে চিনতাম না, কোনোদিন দেখিনি। পড়ে একজনের কাছে শুনেছি ওনার নাম পরীমণি। ক্লাবের একজন সদস্যের রেফারেন্সে তিনি আসেন সেখানে। সেই সদস্যকে শোকজ করা হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আমরা এই মুহূর্তে কোনোভাবে আইনি ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি না। কারণ, এতে আমাদের ক্লাবের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আমরা কোনও জিডি করিনি।

ইকবাল বলেন, আমাদের ক্লাবের ফুড অ্যান্ড বেভারেজের অ্যাডমিন এবং ডিরেক্টর বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাটি দেখেন। দেখে তারা পরীমণিকে বলেছেন, আপনি তো ক্লাব রুল ভায়োলেট করেছেন। আপনি তো এমন করতে পারেন না। তখন উনারা ক্ষিপ্ত হয়ে যান। উনাদের আচার-আচরণ গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তাদেরকে বলা হয়েছে চলে যেতে। উনারা যাচ্ছিলেন না দেখে আমাদের পরিচালকই ক্লাব থেকে চলে যান। তারপর যে সদস্য উনাদেরকে এনেছিলেন, উনিও তাদেরকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উনারা যাচ্ছিলেন না দেখে, ওই সদস্য নিজেও চলে যান। তারপর উনারা অকস্মাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং গ্লাস, অ্যাশট্রে ছুঁড়ে মারতে থাকেন।

তিনি জানান, ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে তারা পুলিশ কল করেন। পুলিশ আসার পরে দেখতে পায়, উনি এগুলো ছুঁড়ে মারছেন। তখন পুলিশ জিজ্ঞেস করে, কেন কল করেছেন। উনারা বলেন যে, আমাদের সঙ্গে এই হয়েছে সেই হয়েছে। পুলিশ সদস্যরাই বলেন যে, এরকম কিছু তো আমরা দেখছি না।

তখন কেউ ছিল না, দুই জন ওয়েটার ছিল, আর উনারা ৩ জন ছিলেন। তারপর পুলিশ ভাইয়েরা ওয়্যারলেসে ওপরের মহলে জানতে চায়- আমরা কী করবো। তখন ওপরের থেকে নির্দেশ আসে, উনারা এরকম করতে থাকলে, তাদেরকে বের করে দিয়ে চলে যান। আমরা ক্লাব কর্তৃপক্ষ ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী, শোকজ করেছি এবং এটার বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রকৌশল নিউজ/এমআরএস